গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
আব্দুল গফুর (প্রত্যক্ষদর্শী)
গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা–৫ সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা। এতে অংশ নিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
গ্রাম থেকে হাট-বাজার—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নির্বাচন। প্রার্থীরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ (দাঁড়িপাল্লা ⚖️) আদর্শভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করছেন। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ) জনগণের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ (হাঁস মার্কা) উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং নদীভাঙনসহ এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন।
নির্বাচন ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে। অনেক ভোটার বলছেন, তারা এবার যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে ভোট দিতে চান। উন্নয়ন ও জনসেবায় যিনি বাস্তব ভূমিকা রাখবেন—তাকেই নির্বাচিত দেখতে চান তারা।
ফুলছড়ি উপজেলার এক ভোটার জানান,
“আমরা এমন এমপি চাই, যিনি নির্বাচনের পরও মানুষের খোঁজ রাখবেন।”
এদিকে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে । প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, গাইবান্ধা–৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ততই তীব্র হবে। কে পাচ্ছেন ভোটারদের আস্থা—তা নির্ধারিত হবে ব্যালটের মাধ্যমে।
গাইবান্ধা স্টাফ রিপোর্টার,
আব্দুল গফুর (প্রত্যক্ষদর্শী)